1. info@narayanganjkatha.com : Badi Uzzaman : Badi Uzzaman
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি'র ভুতুড়ে বিলে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ - নারায়ণগঞ্জ কথা
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নারায়ণগঞ্জে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জিসাসের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ও দলীয় নেতাকর্মীদের ত্যাগের মহিমায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান : রাজীব  যতই ষড়যন্ত্র করো, লড়বো আবার দারুন সূর্য হবো, লিখবো আবারো কোন ইতিহাস মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে শাহীন এর স্মারকলিপি  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা গোগনগর ইউনিয়ন  বিএনপি সভাপতি আক্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা জানালেন এলাকাবাসী  নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজ ছাত্র সংসদ কমিটি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আইনজীবীদের মত প্রকাশ সাংবাদিকদের ভাতা, একাডেমিক যোগ্যতা ও আইনি প্রবেশাধিকারসহ অনলাইন নীতিমালার দাবিতে হোক গণমাধ্যম প্রোটোকল অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের জন্য অপেক্ষা করেই বেলুন ধরে রেখেছিলেন টিপু দীর্ঘ একযুগ পর পূর্ণাঙ্গ হলো নারায়ণগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি অসুস্থ বিএনপি’র নেতা কামাল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশ

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’র ভুতুড়ে বিলে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভুতুড়ে বিলে দিশেহারা হাজীগঞ্জসহ তিন উপজেলার গ্রাহকরা

শাখাওয়াত হোসেন শামীম,

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায় হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলায় জুন মাসে গ্রাহকদের ওপর হঠাৎ করেই ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ বিল পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক।

জানা গেছে, এই সমিতির আওতায় বিদ্যুৎ গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় তিন লক্ষ ৬০ হাজার ৫১২ জন। নিয়মিত যেসব গ্রাহকের মাসিক বিল সাধারণত ৩০০-৪০০ টাকার মধ্যে থাকে, তাদের হাতে সম্প্রতি পৌঁছে গেছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকার বিল। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা।

পৌর এলাকার বাসিন্দা নাছির উদ্দিন বলেন, “প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসত ৫০০-৮০০ টাকা। কিন্তু এবার জুন মাসে বিল এসেছে ১৫০০ টাকারও বেশি। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করতে গেলে বলেছে, গরমে ফ্যান বেশি চালালে নাকি এমন হয়!

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন, অনেক সময় বিদ্যুৎ মিটার রিডিংয়ের জন্য কর্মকর্তা ঠিকভাবে আসেন না। অনুমানভিত্তিক বিল তৈরি করে তা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। অনেকে অভিযোগ করেছেন, প্রথম সংযোগ নেওয়ার সময় মিটারের জন্য টাকা দেওয়া হলেও প্রতিমাসে অতিরিক্ত চার্জ রাখা হচ্ছে।

এই বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রতি বছর জুন মাসে ক্লোজিংয়ের কারণে অন্য মাসের তুলনায় বিল একটু বেশি আসে। তবে আগের মাসে বিল কম হলে সেটিও জুনে যোগ হয়। গ্রাহক চাইলে মিটারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

এদিকে সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (অঃদাঃ) গোবিন্দ আগরওয়ালা বলেন, “ভুতুরে বিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মিটারের রিডিং অনুযায়ীই বিল করা হয়েছে। তবে কোনো গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক মনে হলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। আমরা মিটার পরীক্ষা করে, ব্যবহৃত ইউনিট যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিতে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নারায়ণগঞ্জ কথা
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি