1. info@narayanganjkatha.com : Badi Uzzaman : Badi Uzzaman
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি'র ভুতুড়ে বিলে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ - নারায়ণগঞ্জ কথা
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ দিন, নইলে অপপ্রচার বন্ধ করুনbএম,পি কে  সংগঠন ও এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি মহানগর বিএনপির আয়োজনে পরিবেশবান্ধব কর্মসূচিতে নারী নেত্রী ময়নার  সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ ভূমিকা  আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগকে মূল্যায়ন করে জিসাসকে আরও গতিশীল করার আহ্বান সোহেল মাহামুদের মাসুকুল ইসলাম রাজীবের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যমের সহযোগিতার প্রত্যয় মাদক-ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই: সুন্দর হাজীগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে স্বপন-লিপি খন্দকার গোসাইর চরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল খেলা অনুষ্ঠিত রাজিব সভাপতি, রনি সাধারণ সম্পাদক; সত্যাশ্রয়ী খেলাঘর আসরের নতুন কমিটি গঠন মানবসেবার অগ্রযাত্রায় ফিরে আসুক প্রিয় নেতৃত্ব ডা. মাধবীর জন্য বিশেষ দোয়া  চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন, টিপু ভাইয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা স্বীকারোক্তি পরিবহন নেতা কালা প্রিমিয়ার সিমেন্ট ডাস্ট নির্গত ধূলায় জনজীবন অতিষ্ঠ : ডিসি, নগর প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’র ভুতুড়ে বিলে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভুতুড়ে বিলে দিশেহারা হাজীগঞ্জসহ তিন উপজেলার গ্রাহকরা

শাখাওয়াত হোসেন শামীম,

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায় হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলায় জুন মাসে গ্রাহকদের ওপর হঠাৎ করেই ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ বিল পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক।

জানা গেছে, এই সমিতির আওতায় বিদ্যুৎ গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় তিন লক্ষ ৬০ হাজার ৫১২ জন। নিয়মিত যেসব গ্রাহকের মাসিক বিল সাধারণত ৩০০-৪০০ টাকার মধ্যে থাকে, তাদের হাতে সম্প্রতি পৌঁছে গেছে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকার বিল। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রাহকরা।

পৌর এলাকার বাসিন্দা নাছির উদ্দিন বলেন, “প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল আসত ৫০০-৮০০ টাকা। কিন্তু এবার জুন মাসে বিল এসেছে ১৫০০ টাকারও বেশি। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করতে গেলে বলেছে, গরমে ফ্যান বেশি চালালে নাকি এমন হয়!

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন, অনেক সময় বিদ্যুৎ মিটার রিডিংয়ের জন্য কর্মকর্তা ঠিকভাবে আসেন না। অনুমানভিত্তিক বিল তৈরি করে তা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। অনেকে অভিযোগ করেছেন, প্রথম সংযোগ নেওয়ার সময় মিটারের জন্য টাকা দেওয়া হলেও প্রতিমাসে অতিরিক্ত চার্জ রাখা হচ্ছে।

এই বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রতি বছর জুন মাসে ক্লোজিংয়ের কারণে অন্য মাসের তুলনায় বিল একটু বেশি আসে। তবে আগের মাসে বিল কম হলে সেটিও জুনে যোগ হয়। গ্রাহক চাইলে মিটারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারেন।

এদিকে সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (অঃদাঃ) গোবিন্দ আগরওয়ালা বলেন, “ভুতুরে বিল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মিটারের রিডিং অনুযায়ীই বিল করা হয়েছে। তবে কোনো গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক মনে হলে তিনি লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। আমরা মিটার পরীক্ষা করে, ব্যবহৃত ইউনিট যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকরা। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিতে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নারায়ণগঞ্জ কথা
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি