নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ শহীদের বিরুদ্ধে কথিত মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই অপপ্রচারের মাধ্যমে শ্রমিক ইউনিয়নের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের হাটখোলা ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও কয়েক শতাধিক এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংগঠনের পক্ষে মো. সোহেল মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আল আমিন প্রকাশ্যে সাব্বির আহম্মেদ শহীদকে ‘ডাকাত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদি এ ধরনের অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তবে কোথায়, কবে এবং কোন ঘটনায় এমন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট থানায় দায়েরকৃত মামলা বা অভিযোগ জনগণের সামনে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রমাণ ছাড়া একজন সামাজিক ও শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য শুধু ব্যক্তির নয়, একটি সংগঠনেরও সম্মানহানি ঘটায়। একজন জনপ্রতিনিধির বক্তব্য দায়িত্বশীল ও শালীন হওয়া উচিত।
সোহেল মাহমুদ অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন মাধ্যমে সাব্বির আহম্মেদ শহীদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই প্রচেষ্টা সফল না হওয়ায় এখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ট্রাক স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বিকল্প কমিটি গঠনের উদ্যোগও ব্যর্থ হয়েছে। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সাব্বির আহম্মেদ শহীদের বিরুদ্ধে যদি কোথাও চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ডাকাতি কিংবা অন্য কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে আমরা নিজেরাই তাকে আইনের হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় কয়েক শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।