1. info@narayanganjkatha.com : Badi Uzzaman : Badi Uzzaman
হাজীগঞ্জে অতিরিক্ত নদী খননে ভাঙ্গনের মুখে ডাকাতীয়ার পাড় ॥ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি - নারায়ণগঞ্জ কথা
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মিথ্যা অভিযোগের প্রমাণ দিন, নইলে অপপ্রচার বন্ধ করুনbএম,পি কে  সংগঠন ও এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি মহানগর বিএনপির আয়োজনে পরিবেশবান্ধব কর্মসূচিতে নারী নেত্রী ময়নার  সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশেষ ভূমিকা  আন্দোলন-সংগ্রামের ত্যাগকে মূল্যায়ন করে জিসাসকে আরও গতিশীল করার আহ্বান সোহেল মাহামুদের মাসুকুল ইসলাম রাজীবের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যমের সহযোগিতার প্রত্যয় মাদক-ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই: সুন্দর হাজীগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে স্বপন-লিপি খন্দকার গোসাইর চরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল খেলা অনুষ্ঠিত রাজিব সভাপতি, রনি সাধারণ সম্পাদক; সত্যাশ্রয়ী খেলাঘর আসরের নতুন কমিটি গঠন মানবসেবার অগ্রযাত্রায় ফিরে আসুক প্রিয় নেতৃত্ব ডা. মাধবীর জন্য বিশেষ দোয়া  চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন, টিপু ভাইয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা স্বীকারোক্তি পরিবহন নেতা কালা প্রিমিয়ার সিমেন্ট ডাস্ট নির্গত ধূলায় জনজীবন অতিষ্ঠ : ডিসি, নগর প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

হাজীগঞ্জে অতিরিক্ত নদী খননে ভাঙ্গনের মুখে ডাকাতীয়ার পাড় ॥ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫

নদী ভাঙনের জন্য বালু ব্যবসায়ীরা দায়ী নয়: সঠিক তদন্ত দাবি ব্যবসায়ীদের
হাজীগঞ্জে অতিরিক্ত নদী খননে ভাঙ্গনের মুখে ডাকাতীয়ার পাড় ॥ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥

হাজীগঞ্জে অতিরিক্ত নদী খননে ভাঙ্গনের মুখে ডাকাতীয়ার পাড় ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি। উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের এন্নাতলী কৃষি মাঠের জমিসহ বাড়ি-ঘর রক্ষার্থে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ের বালুঘাট অপসারণের দাবি জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা জেলা প্রশাসকের কাছে গণস্বাক্ষরে আবেদন জমা দিয়েছেন।
বুধবার দুপুরে বালু ব্যবসায়ীরা জানান।

কার্যক্রম সম্পূর্ণ বৈধ এবং নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। নদী ভাঙনের জন্য আমরা বালু ব্যবসায়ীরা দায়ী নই। আমরাও চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা নদী থেকে ড্রেজিং করে বালু উত্তোলন করি না, বরং আমরা বৈধ উপায়ে বিভিন্ন স্থান থেকে বলগেট করে বালু এনে উত্তোলন করি। এই কাজ করার জন্য বিআইডব্লিউটিএর লাইসেন্স আমাদের রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ও নিয়ম মেনেই ব্যবসা করে করছি। আমাদের কারনে নদী ভাঙন এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগটি ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে নদীর প্রাকৃতিক গতিপথ পরিবর্তনের কারণে কিছু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও, ২০২৩ সালে নদীতে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজিং করা হয়েছে, যার কারণে মূলত নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে আমাদেও বালু ব্যবসায়ী দায়ী করা অনুচিত।

বালু ব্যবসায়ী এমরান হোসেন বলেন, ‘আমরা স্থানীয় জনগণের সাথেও কথা বলেছি, ভবিষ্যতেও বলবো এবং তাদের যেকোনো অসুবিধার বিষয়ে সমাধান করতে প্রস্তুত আছি। আমাদের মূল লক্ষ্য স্থানীয় উন্নয়ন এবং বৈধভাবে বালু ব্যবসা পরিচালনা করা।
বালুমহাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিয়মিত স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে আসছেন বলে জানান ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। তিনি বলেন, ‘নদীর ভাঙন রোধে এবং কৃষিজমি রক্ষা করার জন্য প্রশাসন যেসব নির্দেশনা দিয়েছে, আমরা তা যথাযথভাবে পালন করছি।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদের বৈধ ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তারা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিষয়টির সঠিক তদন্ত করা হোক।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মনে করেন, বালুঘাটের কারণে নদীর পাড়ের ক্ষতি হচ্ছে, আবার কেউ মনে করেন, অতিরিক্ত নদী খননের জন্য কৃষিজমি ভাঙ্গনের মুখে পড়ছে।

বালু ব্যবসায়ীদের দাবি, নদী ভাঙন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে অপরিকল্পিত ড্রেজিং ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ভাঙনকে ত্বরান্বিত করতে পারে। তাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নারায়ণগঞ্জ কথা
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি