আমার জনপ্রিয়তা ও সুনাম নষ্ট করার জন্য এই মিথ্যা মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে __জি এম আমিন হোসেন সাগর

 

স্টাফ রিপোর্টার: গত ২৭ শে অক্টোবর মঙ্গলবার ভুইগর মাহমুদপুর এলাকায় ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মিজান নামে একজন আহত হয়।

এই বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ও আওয়ামী লীগ নেতা জি.এম আমিন হোসেন সাগর বলেন, আমি এলাকার একজন জনপ্রতিনিধি আমি জানি কে কি করেছে সব জানি আমার কাছে না শুনে সংবাদ প্রকাশ করা খুবই দুঃখজনক। বছর খানেক আগে মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রী ধর্ষণ করার মিথ্যা অভিযোগ করে ২লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল সেই সময়ে আমি তাদের বিরুদ্ধে জোরালো ভাবে ব্যবস্থা নেই। আজ ওরাই এই মারামারি সাথে সংযুক্ত ওদের সাথে আমার সম্পর্ক ভালো না বলে ওরা আমার নাম জড়িয়েছে। ঘটনার দিন আমি এলাকায় ছিলাম না আমি পূর্ব শান্তিধারা এলাকায় একটি বিচারে ছিলাম সেদিন ওই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন, আমি মুরুব্বীদের পছন্দ করি তাদের সাথে চলি।

আর ওদের সাথে তেমন চলি না আমার বয়স আর ওদের বয়সে সাথে চাচা ভাতিজা সম্পর্ক শুধুমাত্র। ৬-৭ বছর আগে এই ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি ঝামেলা হয়েছিল সেই ঝামেলাটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে নিয়ে মীমাংসা করি। মিজানের সাথে কোন শত্রুতা বা ঝামেলা ছিল না মিজানের ছোট ভাই আলিনুর তার সাথে ডিস ব্যবসা নিয়ে অনেকদিন ধরেই ঝামেলা হয়ে আসছিল। বছর খানেক আগে অভিযুক্ত ভুলুকে প্রকাশ্যে দিনেদুপুরে ১৫ থেকে ২০ দা ও স্টিক সহ আরো অন্যান্য যাবতীয় জিনিস দিয়ে বেদম মারধোর করা হয় যেই ছেলেগুলো সেদিন এসেছিল তারা কেউ এলাকার ছেলে না সেদিনের মারের কোন বিচার পাইনি ভুলু।

মারামারির ঘটনাটি সাথে সেই ক্ষোভটি থাকতে পারে। মারা মারির মধ্যে যে আহত হাসপাতালে ভর্তি মিজানের বিষয়টি অনেক মারাত্মক ও মর্মান্তিক একটি ঘটনা। আমরা এলাকাবাসী সবাই আশঙ্কাজনক যে তারা যেন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মেরে না ফেলে মিজানকে। মিজান বা তার পরিবার কেউ আমার শত্রু না। মারামারির ঘটনাটি আমার প্রতিপক্ষরা এর ফায়দা উঠাচ্ছেন মাত্র। ঘটনার দিন আমার অফিস বন্ধ ছিল। ভুক্তভোগির স্ত্রী অভিযোগ করেন ঘটনার দিন তারা মারা মারির পর আমার অফিসে এসে পালিয়েছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক। তাদেরকে আমি সব সময় শ্রদ্ধার চোখে দেখি। তাদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে যেই সংবাদটি আপনারা প্রকাশ করবেন তার সম্পর্কে ঘটনাস্থলে এসে অবগত হয়ে সংবাদ প্রকাশ করবেন।

এলাকাবাসী মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ওয়াহেদ আলী ভুলুর বাবা তিনি বলেন মিজানের বাবা জজ মিয়া আমার ছোটবেলার বন্ধু, আমি বলব সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেম্বারকে সরানোর জন্য মিজান নয় তাদের গডফাদার এক কুচক্রী মহল এই খারাপ ঘটনাটি ঘটাচ্ছেন। মোঃ নুরুজ্জামান বলেন করোনা সংকটকালে প্রাণ বাজি রেখে কাজ করেছি আমরা এই মিথ্যা মামলা দিয়ে কখনো আমাদের জনপ্রিয়তা নষ্ট করা যাবে না।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares