বুধবার, নভেম্বর ২৫, ২০২০

স্থানীয় বাজার থেকেই গরুর গোস্তো ক্রয় করে বিরিয়ানির দোকান চালাতে হবে- সেন্টু

 

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুরে পাগলা বাজারে বিরিয়ানির দোকান চালাতে হলে স্থানীয় বাজার পাগলা থেকেই গরুর মাংস সরবরাহ করতে হবে এমন নির্দেশনা দিলেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিনবার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাগলা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি এবং বিরিয়ানির দোকানদারদের সাথে সম্মিলিত বৈঠক শেষে এ কথা জানান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু।

এ সময় তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকদিন যাবৎ পাগলা বাজারে কুকুরের বিরিয়ানি বলে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে আর এটা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। আর সেই মাংসগুলো পরীক্ষা করার জন্য ফতুল্লা থানা অফিসার ইনচার্জ আসলাম হোসেন এর হস্তক্ষেপে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এখন থেকে পাগলা বাজারে কোন রকম প্যাকেটজাত ও বহিরা গত মাংস আসবেনা স্থানীয় বাজার থেকে ইমাম বা মোয়াজ্জেম সাহেবের জবাইকৃত গরুর মাংস দিয়ে পাগলা বাজারের বিরানির দোকান গুলো চলবে। আর এই আদেশ অমান্য করলে কঠোর ভাবে প্রতিহত করা হবে এবং আইনত ব্যবস্থা করা হবে। এই নিয়ম মেনে পূর্বের ন্যায় আবারো বিরিয়ানির দোকান চালু থাকবে।

এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাগলাবাজার বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, পাগলাবাজার বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, পাগলাবাজার বহুমুখী সমবায় সমিতির কোষাধক্ষ্য জাহিদ হাসান বেলাল,ও সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ ইমাম দফতর সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মিন্টু, ক্রিয়া সম্পাদক মোঃ শাহআলম এবং পাগলা বাজার জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আনোয়ার হোসেন জিহাদী, বিরিয়ানি হাউজ মার্কেটের মালিক মোঃখোকন ও মিঠু এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণ।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে খাবার হোটেল গুলোতে মাংস সরবরাহ কালে স্থানীয় জনতা ও পাগলা বাজার সমিতির নেতৃবৃন্দরা বস্তা ভর্তি ৫০ কেজি মাংস সহ আরিফ(২৮) ও রাব্বি (১৬) নামক দুই মাংস সরবরাহকারীকে আটক করে এবং তারা জনতার তোপের মুখে নিজ মুখেই বলে এগুলো কুকুরের মাংস এমন ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে,এবং তখন মজলিসে উপস্হিত আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির বলেন বাজার সমিতির কোনো নেতা একথা বলেননি যে এগুলো কুকুরের গোস্তো বিষয় টি নিয়ে ভুল বুজতে পেরে বিরিয়ানির দোকানদার মোঃ ইমন নিজের ভুল শিকার করেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু তাকে জিজ্ঞেস করেন তোমার থেকে কেউ চাঁদা নিয়েছে বা চেয়েছে কখনো?

তখন ইমন বলে না আমার থেকে কেউ চাঁদা চায়নি এবং নিজের ভুল শিকার করেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু দোকানের মালিক মোঃ খোকন কে থানার অভিযোগ তুলে আনতে নির্দেশ করেন এবং তখনি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু ওসি সাহেব কে অভিযোগ বাতিলের বিষয় ফোন করে জানিয়ে দেয় এবং ওসি অপারেশন কেও ফোনে অভিযোগ বাতিলের ব্যপারে জানান, সকলেই চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু সাহেবের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে চলো মান ঝামেলার স্থায়ী সমাধান হয়েছে বলে মনে করেন।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!