মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০২০

গুম,ধর্ষণ,হত্যা মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আব্দুল্লাহ,রকিব ও খলিলকে মিথ্যাভাবে ফাঁসানো ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন

 

নারায়ণগঞ্জ কথা : গুম,ধর্ষণ,হত্যা মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় আব্দুল্লাহ,রকিব ও খলিলকে মিথ্যাভাবে ফাঁসানো ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন করে আব্দুল্লাহ,রকিব ও খলিল এর পরিবার।

সেই সাথে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে বন্দুক মাথায় ঠেকিয়ে ১৬৪ ধারায় জিসামনিকে গুম,ধর্ষণ ও হত্যা করার কথা স্বীকার করতে বলা ও আসামীদের পরিবার থেকে টাকা হাতিয়ে নেবার অভিযোগ করে মানববন্ধনে আসামীর পরিবাররা।

বৃহস্পতিবার(২৭ আগষ্ট)সকালে আদালত পাড়ায় এ মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে জিসামনি মামলার প্রধান আসামী আব্দুল্লাহ মা শিউলি বেগম বলেন,আমার ছেলেকে গ্রেফতার পর এস আই শামীম স্যার আমার কাছে টাকা চাইছে।এটা তো ওসি এর অনুমতি না নিয়ে বলতে পারে না।ওসি তো সরাসরি আমাদের এই কথা বলতে পারে না।বলছে শামীম স্যার।আমার ছেলের মুক্তি চাই।মেয়ে তার মায়ের বুকে গেছে।

তিনি আরো বলেন,আমিও আমার আমার ছেলের মুক্তি চাই।প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন আমার ছেলের মুক্তি চাই আর এস আই শামীম স্যারের বিচার চাই।কঠিন বিচার চাই।বাংলাদেশে এই রকম আর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে। মানববন্ধনে আব্দুল্লাহ বাবা বলেন,আমার ছেলের রিমান্ডে না মারার জন্য এস আই শামীম স্যার তার সোর্স কেসলুরে দিয়া আমার দোকান থেকে ৭ হাজার টাকা নেওয়াইছে।

মাঝি খলিলের স্ত্রী শারমিন আক্তার বলেন, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নাকি ক্রসফায়ার ভয় দেখিয়ে বন্দুক মাথায় ঠেকিয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করতে বলছে আমার স্বামী কইছে।আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই এমন একটা মিথ্যা মামলায় আমার স্বামীকে ফাঁসানোর জন্য।সেই সাথে আমার স্বামীর মুক্তি চাই।সাথে বছরের একটা ছেলে ও ৩ টা মেয়ে নিয়ে আর কত মানুষের বাসায় সাহায্য চাবো।

মানববন্ধনে আরো আব্দুল্লাহ, রকিব ও খলিলের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলো। উল্লেখ্য যে গত ৪ জুলাই ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন তাকে না পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় জিডি এবং মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ অটোরিকশা চালক রকিব, আব্দুল্লাহ্ ও খলিলকে গ্রেপ্তার করে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তারা নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলটন হোসেন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের পৃথক আদালতে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দায় স্বীকার করে বলে জবানবন্দি দেন।ঘটনার ৫১ দিন পর গত ২৩ অগাস্ট ওই কিশোরী তার মোবাইলফোনে যোগাযোগ করলে পরিবারের লোকজন তাকে এনে পুলিশে সোর্পদ করে।ফিরে আসার পর ওই কিশোরী আদালতে জানিয়েছে, ইকবাল নামের এক যুবককে বিয়ে করে বন্দর এলাকার এক ভাড়া বাড়িতে সংসার পাতে সে।পুলিশ তার স্বামী ইকবালকেও গ্রেফতার করে। আদালত এখন ওই কিশোরিকে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!