শনিবার, নভেম্বর ২৮, ২০২০

লম্পট সুজন চন্দ্র আয়শা কে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষন ও হত্যা করে : এক জন অসহায় মার অভিযোগ

 

নারায়ণগঞ্জ কথা : নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় কায়েমপুর মোস্তফা সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুজন চন্দ্র সরকার(২৮) আয়েশা আক্তার (২০) নামের  এক মুসলিস মেয়েকে গত ৩০/৭/২০ আনুমানিক ৪টা ১৫ ঘটিকায় শিবু মার্কেট বি-বাড়িয়া বর্তমান ঠিকানা বাসায় নিয়ে যায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। পরে সুজন চন্দ্র সরকার মুসলিম হইবে না এবং আয়েশাকে বিয়েও করিবে না বলে। আয়েশা আক্তারকে অশীল ভাষায় গালাগালি করে এবং আত্মহত্যার প্ররোবচনা দেয়। আর সুজন চন্দ্র সরকারের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আয়েশা আক্তার গত ৯/৮/২০ বিকাল আনুমানিক ২ টা ১৫ হইতে বিকাল ৩টা ১৫ ঘটিকার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় কায়েমপুর মোস্তফা সাহেবের বাড়িতে সুজন চন্দ্র সরকার ভাড়াথাকতো সে বাড়িতে সিলিং ফ্যানে ওড়না দ্বারা গলায় ফাঁসি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। আয়েশা আক্তার (২০) পিতা মোঃ আব্দুর রশিদ মা মোসাঃ আনু বেগম (৪৮) নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ ক্যালেনপাড় আজাদ সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া । লম্পট সুজন চন্দ্র সরকার (২৮) পিতা নিখিল চন্দ্র সরকার সাং কৃষ্ণনগর থানা বাহারামপুর জেলা বি-বাড়িয়া এ/পি সাং নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মধ্য কায়েমপুর মোস্তফা সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া  

বিষয় নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে ফৌজদারী বিধানে ১১/৮/২০ তারিখ ১৫৪ ধারায় মামলা রুজু করা হয়।

মোসাঃ আনু বেগম বলেন, আমার সেজ মেয়ে আয়েশা আক্তার(২০) আনুমানিক ২ বছর পূর্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন বউবাজার ক্যালেনপাড় ইউনাইটেড গার্মেন্টসে চাকরি করে আসছিল আর একই গার্মেন্টসে সুজন চন্দ্র সরকার অপারেটর হিসেবে চাকরি করিত একপর্যায়ে আমার মেয়েকে প্রেমর নিবেদন থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করত হিন্দুসম্প্রদায়ের হওয়ায় আমার মেয়ে তার এই প্রস্তাব বারবার প্রত্যাখ্যান করত অবশেষে গার্মেন্টসে চাকরি ছেড়ে দেয় তারপরও  বিভিন্ন সময় আমার মেয়ের  মোবাইলে ফোনে দিয়ে মুসলিম হইয়া আমার মেয়েকে বিবাহ করিবে বলে  ফুসলাইয়া আসিতে ছিল। গত ৩০/৭/২০২০ আনুমানিক বিকাল ৩টায় ঈদ-উল-আযহার কেনাকাটার জন্য শিবু মার্কেটে যায় তারপর আমার মেয়ে বাসায় ফিরে আসে নাই আমি সহ আমার আত্মীয়-স্বজন আমার মেয়ে আয়েশাকে বিভিন্ন জায়গা সহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে থাকি।পরে ৯/৮/২০২০ আনুমানিক বেলা একটায় বিবাদী সুজন সরকারের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করিয়া আমার ছোট মেয়ে মোসাঃ নুপুর আক্তার বিবাদীকে ফোন করে আমার মেয়ে আয়েশার খোঁজখবর নিলে সুজন চন্দ্র সরকার জানায় যে আমার মেয়ে আয়েশা তার হেফাজতে রহিয়াছে তখন আমি আমার মেয়ে আয়েশার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলিলে সে কান্না জড়িত কণ্ঠে আমাকে জানাই যে ৩০/৭/২০আনুমানিক ৪টা ১৫ ঘটিকায় শিবু মার্কেট বি-বাড়িয়া বর্তমান ঠিকানা বাসায় নিয়ে আমার মেয়েকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে আমার মেয়ে আয়েশা এই কথা বলার পর পরই তাহার নিকট হইতে মোবাইল ফোন নিয়ে নেয় সুজন আর মুসলিম হইবে না এবং আমার মেয়ে আয়েশাকে বিবাহ  করিবে না বলে অশীল ভাষায় গালাগাল করা সহ আত্মহত্যার প্ররোবচনা দেয় আর সুজন চন্দ্র সরকারের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আমার মেয়ে আয়েশা আক্তার গত ৯/৮/২০ বিকাল আনুমানিক ২ টা ১৫ হইতে বিকাল ৩টা ১৫ ঘটিকার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় কায়েমপুর মোস্তফা সাহেবের বাড়িতে সুজন চন্দ্র সরকার ভাড়াথাকতো সে বাড়িতে সিলিং ফ্যানে ওড়না দ্বারা গলায় ফাঁসি লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। সিলিং ফ্যান শহীদ ওড়না ছাড়া কলার ফাস লাগাইয়া আত্মহত্যা করে। সংবাদ পাইয়া আমি সহ আমার ছোট বোনের জামাই ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন সুজনের বাড়িতে যাইয়া আমার মেয়ে আয়েশা লাশ দেখি ইতিমধ্যে ফতুল্লা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লোকজন নিকট বিস্তারিত সোনিয়া ও আত্মীয়-স্বজন সহিত আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি।আমি আমার মেয়ের মৃতুর বিচার চাই।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!