বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

এমপি বানানোর কারিগর হারুনর রশিদ মুন্নার ঢাকা-০৫ আসনের নৌকার মনোনয়ন টিকিট কনফার্ম

 

নিজস্ব প্রতিনিধঃ আগস্ট মাস পুরো বাঙালি জাতির জন্য একটি শোকের মাস, এই মাসে বাঙালি জাতি হারিয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের ২২ জন সদস্যকে।

তাই ১৫ ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও ঢাকা-৫ আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষে ডেমরা থানা আওয়ামিলীগের উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪ টায় ৬৭নং ওয়ার্ডে ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া বাজার সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভায় প্রায় ১,০০০ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত এম.পি প্রার্থী হওয়ার যোগ্য দাবিদার বৃহওম ডেমরা থানা আওয়ামিলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ১৪ দলের প্রধান সমন্বয়ক ও যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক জননেতা হারুনর রশীদ মুন্না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হারুনর রশিদ মুন্নার সহধর্মিনী কামরুন নাহার মুন্না, ৪৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামিলীগের মুখপাত্র, কাউন্সিলর হাজী আবুল কালাম অনু, নজরুল ইসলাম, জাহিদ হাসান লাট মিয়া, ৬৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামিলীগের প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক নিশাত আহমেদ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আলী হোসেন আলি। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি হারুনর রশিদ মুন্নাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান ডেমরা থানা আওয়ামিলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

আলোচনা সভার মধ্য মনি প্রধান অতিথি হারুনর রশিদ মুন্না আলোচনা সভায় বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও ত্যাগ তিতিক্ষা করেছি দলের জন্য। ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর আওয়ামিলীগ ঘোষিত হরতালে যাএাবাড়ি চৌরাস্তায় পিকেটিং করা কালে বিএনপি ফ্রিডমপাটির ক্যাডাররা আমাকে হত্যা করার উদ্যেশে রক্তাক্ত করে। তখন মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দেখতে হাসপাতালে যায়। ১৯৯৪ সালে নয় মাস জেলে থাকতে হয়েছে আমার। সেই সাথে আমার বিরুদ্ধে ৬৪টি মামলা, ৪৯দিন রিমান্ড সহ ৯মাস জেল খেটেছি আমি। বিবাহের ৩মাস পর জেলে গেলে সন্তান জন্ম নিলে সদ্য নবজাত সন্তানকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার। তবে, ইনশাআল্লাহ দল থেকে মনোনীত হলে মাননীয় সংসদের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করবো।
২০০৮ সালে নেত্রীর মুক্তি ত্বরান্বিত করতে আমি যাএাবাড়িতে ২,৯৮,৭৭০ টি গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে মহানগর কার্যালয়ে জমা দেই। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ঢাকা-৫ এর অর্ন্তগত সকল ইউনিয়নের সভাপতি-সাঃসম্পাদক ও ঢাকা সিটি কর্পোঃ ওয়ার্ড কমিশনার ও সভাপতি-সাঃসম্পাদক বৃন্দ মনোনয়ন বোর্ডকে রেজুলেশন করে অনুরোধ করেন। সে বিবেচনায় এবং আমার ৩০ বছরের রাজনৈতিক ত্যাগকে মূল্যায়ন করলে বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাকে ঢাকা ৫ আসনের নৌকা প্রার্থীর যোগ্য দাবিদার মনে করে মনোনীত করবেন আমি শতভাগ আশাবাদী।

তিনি আরো বলেন, আমার রাজনৈতিক অভিভাবক মরহুম এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি তার শেষ জনসভার ভাষনকে মূল্যায়ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে জয়ী হব এবং মরহুম এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করব ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা-০৫ আসনটি দুর্নীতিমুক্ত এড়িয়া হিসেবে গড়ে তুলব।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!