সোমবার, নভেম্বর ২৩, ২০২০

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী আছে বলেই রুপগঞ্জে উন্নয়নের জোয়ার বইছে- মেম্বার মোঃ বজলুর রহমান

 

স্টাফ রিপোর্টার  ( আরিফ হোসেন ) : নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন কায়েতপাড়া ইউনিয়নের একজন সফল জনপ্রতিনিধি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদের বক্স সরদার এর সুযোগ্য পুত্র ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ বজলুর রহমান। এই মহৎ মনের মানুষটি রূপগঞ্জের উন্নয়নের রুপকার নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সফল জনপ্রতিনিধি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক এর একজন পরম আস্থাভাজন ব্যক্তি।

কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড এর পুনর্বাসিতদের জন্য আওয়ামিলীগ সরকারের অবদান প্রসঙ্গ নিয়ে প্রতিবেদককে মেম্বার মোঃ বজলুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ এর প্রথম দিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন নদী ভাঙ্গন, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা, দেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধে পঙ্গু হয়ে যাওয়া মানুষদের পূনর্বাসিত করেন। আমাদের এই ওয়ার্ডটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ। এই ওয়ার্ডের জনগণ ১৯৭৫-২০০৯ সাল পর্যন্ত ভোট দিতে পারত না।

তখন আমি আমার অভিভাবক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর নির্দেশে হাইকোর্টে মামলা করলে পুনর্বাসিত আমার এই ওয়ার্ডের জনগণ ভোট দিতে পারে। আমার ওয়ার্ডে প্রায় ২৪ হাজার ভোটার। পুনর্বাসিত বিধায় আমার এই ওয়ার্ডে একসময় পানি সমস্যা, বিদ্যুৎ সমস্যা, শিক্ষার প্রতি অবহেলা ছিল। আমার নেতা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সুনজরে ২৮ টি পাম্প এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, ১০০ % গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং ৯৮% শিক্ষার হার নিশ্চিত করতে পেরেছি। আরও ২% শিক্ষার হার বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী পুনর্বাসিত পরিবারের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য বীর প্রতীক গাজী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজ চলমান। প্রতিটি রাস্তাঘাট পীচ ঢালাই এবং উন্নতমানের করে তৈরী করা হয়েছে।

মেম্বার- মোঃ বজলুর রহমান তার ওয়ার্ডের করোনা পরিস্থিত নিয়ে প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের এই ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো খাদ্য সামগ্রী ৮০০ প্যাকেট পেয়েছি যাহা পর্যাপ্ত নহে। আর ভোটার হবার পর থেকে আমার ওয়ার্ডের পুনর্বাসিতদের জন্য বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেছি।

আমার ওয়ার্ডের ৮০০ পরিবার এ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ২,৫০০/- টাকে পেয়েছে। তবে ওএমএস কার্ড এখনো পায় নাই। এই করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে আমাদের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সুযোগ্য পুত্র যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা পাপ্পা আমার ওয়ার্ডের করোনা দুর্যোগগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ১০,০০০ প্যাকট করে কয়েক ধাপে প্রতি প্যাকেটে চাল, ডাল, আলু, তৈল সামগ্রী বিতরণ করেন। যার ফলে আমার ওয়ার্ডের প্রতিটি পরিবার খাদ্য সামগ্রী পেয়েছে। আমার ওয়ার্ডটি ঘনবসতিপূর্ণ কিন্তু এরপরেও করোনা সচেতনতার জন্য প্রতিনিয়ত সচেতন করে যাচ্ছি। জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানো সহ, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন করেছি। আর এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী স্যার এর জন্য।

আর তিনি আছে বলেই রুপগঞ্জে উন্নয়নের জোয়ার বইছে সর্বশেষে তিনি বলেন, আমার এতো জনপ্রিয়তা অনেকের কাল হয়ে দাড়িয়েছে। আমি আল-আমিন কিন্ডারগার্টেন নামে শুধু ১টি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। কিন্তু আমাকে নিয়ে কিছু মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট নিউজ প্রকাশিত হয়। যাহা আমার দৃষ্টিগোচর হয়। সাংবাদিক ভাইয়েরা সঠিক তথ্য তুলে ধরুন দেশের সেবায় আপনাদের কলম কে আমি শ্রদ্ধা জানাই।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!