সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা এলাকায় ঈদের রাতে বন্ধুর ছুরির কাঘাতে বন্ধু খুন

 

স্টাফ রিপোর্ট : নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা ঈদের রাতে ফেরদৌস কে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় রাকিব রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন।ফেরদৌস (৩০) পটুয়াখালী জেলার শুভডুগী গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে ।খুনি রাকিব (২৯) শরীয়তপুর জেলার পোপনচর গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে।

সোমবার  (২৫ মে) রাত  ১ টায় নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মুসলিমনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীস বলেন, রাত ১টার দিকে বাড়ির গোসলখানায় হঠাৎ চিৎকার শুনতে পেয়ে এলাকাবাসী দৌড়ে গিয়ে দেখে রাকিব রক্তমাখা ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছে আর নিচে পড়ে আছে রক্ত অবস্তায় পরেআছে ফেরদৌস। এ দৃশ্য দেখে কয়েকজনের চিৎকার দিলে রাকিব দৌড়ে পালিয়ে যায়।দুইজনই গত চার বছর লোকমান মিয়ার এই বাড়ির মেসে এক রুমে থেকেছে। এক মাস আগে ফেরদৌস বিয়ে করে তার স্ত্রী সাদিয়াকে নিয়ে একই বাড়িতে আলাদা একটি রুম ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। তাদের মধ্যে কোন ঝগড়া বা শত্রুতা আছে কিনা কেউ বলতে পারছেন না। তবে কি কারণে রাকিব তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে খুন করেছে এ বিষয়টি কেউই আঁচ করতে পারছেন না।

নিহতের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার নারায়ণগঞ্জ কথা ডটকম এর সাংবাদিক কে বলেন, এক মাস আগে ফেরদৌসের সাথে আমার বিয়ে হয়,  তারা দুই জন আগে একই এরুমে ছিলেন,আমার স্বামীর সাথে রাকিবের বন্ধুত্ব ছিল, কিন্তু কি নিয়ে দুজনের মধ্যে দন্ধ ছিল তা আমি জানি না  কেনো খুন করলো আমার স্বামীকে ।

এ বিষয় পুলিশ জানায়, তারা  মুসলিমনগর এলাকায় একই বাসায় রুম পাটনার হিসেবে ভাড়া থাকতেন। দুজনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।খুনি রাকিব পালিয়ে যাওয়ার সময় ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় ।‍

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন সাংবাদিক রাজু খন্দকারকে জানান, নিহতের পেটে ও বুকে ৩৬টি ঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে রাকিব একাই খুন করেন তদন্ত চলছে ।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!