মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০২০

৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ হান্নানুর রফিক রঞ্জু নিজ হাতে গরীব ও অসহায় পরিবারদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

 

ফতুল্লা প্রতিনিধি  (মোঃ শেখ কাউসার) : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ হান্নানুর রফিক রঞ্জু নিজ হাতে গরীব ও অসহায় পরিবারদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ।

মঙ্গলবার ( ২১ এপ্রিল ) সকালে  কুতুবপুরের ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ হান্নানুর রফিক রঞ্জু এর অফিস থেকে ১২০টি পরিবারের মধ্যে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় ‌এবং পর্যাক্রমে এ ত্রান বিতরণ করা হবে ওয়ার্ডের সকল অসহায় ও গরীব পরিবারদের।

ত্রান সামগ্রী বিতরন করার সময় মেম্বার সংবাদমাধ্যমকে জানায়,আমার ওয়ার্ডে ৫০ হাজার ভোটার আছে এবং প্রায় ২ লাখ লোকের বাস কিন্তু আমার এখানে এই পর্যন্ত চেয়ারম্যান মাধ্যমে ৬২০ টি পরিবারের জন্য ত্রান পেয়েছি।সেনাবাহিনীরা নিজেরা ৪০টি পরিবারকে ত্রান দিয়েছে এবং ১জন করোনা রোগী পাওয়ায় ২৫৭ টি পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছিলো তাই এই ২৫৭ টি পরিবারকে ত্রান দেওয়া হয়েছিলো।

কিন্তু এত লোকের যেখানে বাস সেখানে মাত্র এই ৬২০ টি পরিবারের ত্রান অতি নগন্য।সরকারি ত্রানের জন্য আমার কাছে এই পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার লোকের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা পরেছে।প্রতিদিন এই লোকগুলো ত্রানের জন্য কল দেয়।আমি কি করবো বুঝতে পারছি না।নিজের অর্থায়নে অনেকগুলো পরিবারকেও খাবার দিয়েছি।এছাড়াও আমার ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দ ও অন্য জেলার লোকদের সমন্বয় করে ত্রান দিচ্ছি।যেখানে হাজার লোকের বাস সেখানে কয়েকজনের ত্রান দিয়ে কি সবার চাহিদা মিটানো সম্ভব।

অন্যদিকে ১০টাকা কেজি রেশন কার্ড করার জন্য প্রতিদিন লোক এসে ঝামেলা করছে অথচ প্রধানমন্ত্রী টিভিতে বললেও আমাদের জেলা থেকে এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এই ব্যাপারে। এসময় তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামের সামনে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংকরোডে ত্রানের জন্য ঘটে যাওয়া বিক্ষোভ মিছিল উস্কানি ও ব্যক্তিগতভাবে যারা ত্রান দিচ্ছে তারা সরকারি নির্দেশনা না মেনে দেওয়ায় দুইটি অভিযোগ করে বলেন,গত ২ দিন আগে ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে কয়েক শতাধিক রিকশা,ভ্যান,অটো চালক ও শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করেছে ষড়যন্ত্র ও উস্কানি দিয়ে সাংবাদিক নামদারি মনির নামে একজন।

ওই সবাইকে নিয়ে লিংকরোড অবরুদ্ধ করে এই কাজটা করে তাৎক্ষণিক ত্রান ত্রান দেওয়া হোক বা বাড়িতে যেতে দেওয়া হোক তার জন্য।এটা নিয়ে আমরা কথা বলছি প্রশাসনের সাথে তার বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।অন্যদিকে আমার ওয়ার্ডে ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৩ হাজার পরিবারকে ত্রান দেওয়া হয়েছে কিন্তু আমাকে জানানো হয়নি এরা সম্পূর্ণ সরকারি নির্দেশনা না মেনে কাজ করেছে।যার ফলে দেখা গেছে একজন একাধিকবার পেয়েছে অথচ এমন অনেক পরিবার না খেয়ে আছে।

সরকার আমাদের যেমন ত্রান দিয়েছে আমরা তাই দিয়েছি।সরকারের একার পক্ষে এত মানুষকে ত্রান দেওয়া সম্ভব নয় তাই যারা ব্যক্তি উদ্যোগে দিবে যাদের দিবে তাদের লিস্ট আমাদের কাছে বা প্রশাসনের কাছে জমা দিয়ে ত্রান দেবার নির্দেশ দিয়েছে।আমার ওয়ার্ডে অনেক বিত্তশালী মানুষ আছে তাদের আমি অনুরোধ করবো আপনারাও সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে আসুন অসহায় মানুষদের পাশে। ৯নং ওয়ার্ড থেকে কৃষিকাজে অন্য জেলায় মানুষ গিয়েও ফেরে আসছে কেনো এই বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানায়,গতকাল থানার অনুমতি পেয়ে আমার ওয়ার্ড থেকে ১২০ জন নেত্রকোনা জেলায় কৃষি কাজে যাবার উদ্দেশ্যে যায় কিন্তু পাকুন্দিয়া থেকে তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে কারন তাদের কোন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছিলো না।আর যারা কৃষি কাজের জন্য গিয়েছিলো তাদের বেশিরভাগ সুনামগঞ্জ জেলার

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!