নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় প্রকাশ্যে এলাকার সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হল শরিফ

নারায়ণগঞ্জ কথা : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা দেওভোগ নূর মসজিদ আসাদ নগর এলাকায় প্রকাশ্যে বাসার সামনেই এলাকার সন্ত্রাসীদের হাতে  খুন হল শরিফ,শরিফ (২৮) বাবা হাওলাদ মাতব্বর (৫০) দেশের বাড়ি ফরিদপুর, বিগত ৪০ বছর ধরে দেওভোগ নূর মসজিদ আসাদ নগর এলাকায় বসবাস করছেন শরিফ দুই মাস আগে  হাজীপাড়া এলাকায় রুনা নামের মেয়েকে বিবাহ করেন ।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে,নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা দেওভোগ নূর মসজিদ আসাদ নগর এলাকা শ্যামলের গ্যারেজের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে ।

এ সময় হাসপাতালে অনেক ভিড় হয় কান্নার ভেঙে পড়ে মা বাবা বোন বোন জামাই সহ আত্মীয়-স্বজনরা সকলেই এসে বেহাল অবস্থায় কান্না করছে একমাত্র ছেলে ছিল শরিফ।

নিহতর এর এক আত্মীয় নারায়ণগঞ্জ কথা ডটকম অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক কে বলেন, কিছুদিন আগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এলাকার কিছু সন্ত্রাসীরা ঘরে থাকার কথা বলে এলাকার সকল মানুষকে মারধোর করে একপর্যায়ে শরিফের দোকান বদ্ধ অবস্থায় ছিল তখন শরীফের দোকানের শাটারের লাঠি দিয়ে বাড়ি দেয় এ নিয়ে শরীফের সাথে এলাকার সন্ত্রাসীদের তক্ক বিতর্ক হয় এ বিষয়ে মেম্বর ও চেয়ারম্যান কে জানানো হয়। মেম্বার চেয়ারম্যান বলেন,করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে  বন্ধের দিন শেষ হলেই এর একটা বিহিত করে দিবে,

এ দিকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এলাকায়  হানিফ মিয়ার ছেলে অনিককে মারধর করে শাকিল ও তারলোকেরা  শরিফ বাসা থেকে নেমে বাধা দেয়  যেন অনিক কে  আর না মারে কিন্তু দুই দিন আগের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  শরীরকে চাকু দিয়ে বুকের মাঝে আঘাত করে আশেপাশের মানুষ জড়ো হয়ে শরিফকে  ১০০ শয্যা ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে আসেন, তখন হাসপাতালে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় এলাকার মুরব্বিদের কাছে জানা যায়, খুব ভালো ছেলে ছিল শান্তশিষ্ট ছিল শরিফ, শরিফ হত্যার বিচার চাই, আর এলাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এ বড় শাকিল ও লিমন এর সন্ত্রাস গ্রুপ থেকে এলাকা মুক্তি চাই, ও শরিফের খুনি বড় শাকিল, লিমন, ছোট শাকিল, রাজু সহ আরো অনেকেই ছিলো তাদের বিচার চাই ।

শরিফের লাশ পোসমাডাম এর  জন্য  ১০০ শয্যা ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের ডোমঘড়ে আছে, শরিফ তার বাবা মা দুই বোন ও তার স্ত্রীরুনাকে রেখে  যায় ।

Shares