মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৪, ২০২০

শামীম ভাই আমাদের জন্য আশির্বাদ হয়ে এসেছে : ভিপি বাদল

 

ফতুল্লা প্রতিনিধি  : কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীকে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন । কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এর সভাপতিত্বে।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল টায়, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীকে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল

তিনি  বলেন, আমাদের নারায়ণগঞ্জের ৪ আসনের মাননীয় সাংসদ জননেতা এ কে এম শামীম ওসমান ভাই আমাদের জন্য আশির্বাদ হয়ে এসেছে। বাংলাদেশের আট দশটা মন্ত্রীর চেয়েও শামীম ওসমান অনেক বেশি পাওয়ারফুল। শামীম ওসমান শুধু নারায়ণগঞ্জেরই নয়, সারা দেশের গর্ব। ১৯৯৬ সালে শামীম ওসমান এমপি হওয়ার পর অত্র অঞ্চলে ২৭শ কোটি টাকার উন্নয়ন করেছিলেন। সাংসদ শামীম ওসমানের জন্য দোয়া চেয়ে বাদল বলেন, সে যেন দলমত নির্বিশেষে শুধু নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য নয়, সারা দেশবাসীর জন্য যাতে কাজ করতে পারেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত যান, গিয়ে বলেন আমি শামীম ওসমানের এলাকা থেকে আসছি। দেখবেন পা থেকে মাথা পর্যন্ত তাকিয়ে দেখে বলবো শামীম ওসমানের এলাকার লোক! এই জন্যই আমরা শামীম ওসমানকে নিয়ে গর্ব করি। ভিপি বাদল আরও বলেন, এই এলাকাটা স্বর্ণ দিয়ে বাঁধাই করে দিতে পারবেন তিনি যদি বারবার আপনারা শামীম ওসমানকে নির্বাচিত করেন ভোটের মাধ্যমে। আমি খুশি করার জন্য বলছি না। লিংক রোড সিক্স লেন হচ্ছে। এটা শামীম ওসমানের পরিকল্পনা। এই রোডটা পদ্মা সেতুর সাথে জয়েনিং হচ্ছে। এটাও শামীম ওসমানের পরিকল্পনা। তিনি আরও বলেন, আমরা ২০০১ সালের পর থেকে বাড়ি ঘরে ঘুমাতে পারি নাই। ঠিক মত কোর্টে হাজিরাও দিতে যেতে পারি নাই। আমি কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়েছিলাম। সেখানেও গুলি করা হয়েছে। কে করেছে? বিএনপির ভাইয়েরা। কিন্তু আমরা তেমন কিছুই করছি না। এগার বছর হয়ে গেছে আমরা ক্ষমতায়। আজ পর্যন্ত কেউ কি শুনেছেন আমাদের জন্য কোনো বিএনপির ভাইয়েরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারছে না? বলতে পারেন ম্যাডাম খালেদা জিয়া জেল খাটছে। সেটা তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত। তিনি সেখানে বসে তওবা করতে থাকুক। আল্লাহ যদি তাকে মাফ করেন তবেই তিনি মাফ পাবেন। এটা হচ্ছে ওইসব মানুষের অভিশাপ যাদেরকে তিনি আগুনে পুড়িয়ে মেরেছিলেন।

সময়  আরো ও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খোকন সাহা, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সিকদার মো. গোলাম রসুল, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাজিম উদ্দীন, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাবেরক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মমিন মাদবর, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মান্নান, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য লুৎফর রহমান স্বপন, মো. ইসাহাক, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক চান, ১ ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সালাউদ্দিন ভূঁইয়া, ৪ ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন মেম্বার, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রোকন, মো. জাহাঙ্গীর আলম, কুতুবপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মোল্লা, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খালেক মন্সি, কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা হাজী মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী মো. মোতালেব মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা মো. মামুন খান, সাইনবোর্ড শান্তিধারা ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রাজ্জাক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মো. রাজ্জাক ফকির, আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মো. ইসরাফিল, হাসান, যুবলীগ নেতা বাবু মোল্লা, শেখ নাঈম, মোঃ জহিরুল ইসলাম প্রমূখ।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!