সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০

এস এম কাদিরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে মাহবুব আলম সিকদার

 

ফতুল্লা প্রতিনিধি  : এস এম কাদিরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে মাহবুব আলম সিকদার। পাগলা বাজারের সম্মানিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম সিকদার সাহেব কর্তৃক আইনজীবী হয়ে এস এম কাদির পিতা কামাল উদ্দিন সরকাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে।

প্রসঙ্গত,গত ২৯/১১/২০১৯ রাত নয়টা একান্ন মিনিটে এস এম কাদির নোটিশ দাতা মাহবুব আলম সিকদারকে হেয় পতিপন্ন করার জন্য মানহানিকর একটি পোস্ট তার সামাজিক গনমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে এস এম কাদির লেখে পাগলা ইসলামিয়া বাজার ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি রেজি নং ৩০৫ ন্যাশনাল ব্যাংক পাগলা শাখা একাউন্ট থেকে জালিয়াতি করে ভুয়া কমিটি দেখিয়ে সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন দিদার কোষাধ্যক্ষ নুর হাসান ও সহ সভাপতি মাহবুব আলম সিকদার ২৫০০০০ টাকা উত্তলন করে ব্যবসায়ীদের না জানিয়ে প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক।

তিনি এটুকুই লেখে শান্ত হয়নি তার নির্বাচনি পোস্টার সহ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে। এ প্রসঙ্গে মাহবুব আলম সিকদার সাহেব বলেন আমি জালিয়াতি করছি কি জালিয়াতি করছি তা কোন কিছুই উল্লেখ করেন নাই সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী সহ সভাপতি টাকা উত্তোলনের কাজে কোন ভাবে যুক্ত থাকেনা তার পরও কেন আমাকে এবং আমার নির্বাচনী পোস্টার সহ তা ফেসবুকে পোস্ট করে এর আগেও বিভিন্ন সময় এরকম পোস্ট করে সমলোচিত হয়েছিল।

আর আমার বিরুদ্ধে যেটা তিনি লিখেছেন আপত্তিকর ও মানহানিকর এতে আমার ইমেজ নস্ট করার জন্য সে এর কাজটি করেছে। আর যে ২৫০০০০ লক্ষ টাকা কোন ভাবেই আত্মাসাৎ হয় নাই ব্যবসায়ীদের জরুরী প্রয়োজনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ সাক্ষর গ্রহণ করে নিয়ম অনুযায়ী টাকা উত্তোলন করা যা ৭/১০/২০১৯ তারিখ ন্যাশনাল ব্যাংক পাগলা শাখায় জমা করা হয়, আর বাকি এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা ১২/১১/২০১৯ তারিখ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন দিদার সমবায় সমিতির নিকট বুঝিয়ে দেয় তা এর পর তিনি সংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সব কিছু উপস্থাপন করেন আর এতেই করেই বুঝা যায় মাহবুব আলম সিকদার সাহেব এই টাকা লেনদেনের সাথে কোন ভাবে জরিত ছিল না তাকে ইচ্ছাকিত ভাবে মানহানিকর করা হয়েছে।

সেই ক্ষেত্রে সে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ২৫/২৯/৩৩ ও ৩৫ ধারায় সে অপরাধী তাই নোটিশ দাতা মাহবুব আলম সিকদার বাদী হয়ে উল্লেখিত ধারায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। আর এই নোটিশ এর ধারায় যদি তিনি তার ভুল স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ আর কখনো করবোনা তাহলে নোটিশ আপনাকে ক্ষমার দৃস্টিতে দেখতে আগ্রহী হবে। অন্যথায় ৭ দিনের মধ্যে আপনার বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইন ২০১৮ দঃবিঃ মামলা রুজু করে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হইবে আর এই সকল পরিনতির জন্য আপনি দায়ী থাকিবেন। আদেশক্রমে মোঃ আমান উল্লাহ ফিরোজ এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!