শেখ হাসিনা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন : একেএম শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ কথা : নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে নবীণ বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সরকারি তোলারাম কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর বেলা রানী সিংহ’র  ও সরকারি তোলারাম কলেজ ও মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদের সঞ্চালনায় ।

বৃহস্পতিবার ( ১৭ অক্টোবর ) দুপুরে  নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে নবীণ বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সংসদ একেএম শামীম ওসমান,।আরো বিশেষ অতিথি উপস্হিত ছিলেন,  নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি ।

তিনি  বলেন, সবকিছুই গুজামিল দিয়ে চলছে। অঘাট ঘাট হচ্ছে। একটি প্রতিপক্ষ অপপ্রচার করে দেশকে অস্তিতিশীল করে রাখতে চাইছে। এদের সাথে অনেক রাজনীতিবীদ, বাম নেতারা চক্রান্তে  জড়িত।দেশি-বিদেশী শক্তি একত্রে এই চক্রান্তে সামিল হয়েছে।এরা একটা বুলেট টার্গেট করেছে। টার্গেট শেখ হাসিনা। ওনার দোষ কি? দোষ একটাই, ওনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।হাসিনার কিছু হলে এ দেশ আফগানিস্তানে পরিণত হবে ।আগামীকে আর নির্বাচন করবো না

এটা ৯৯ ভাগ সত্যি। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য কিছু একটা করতে চাই। নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, তোর লক্ষ্য কি? আমি বলেছি আমার লক্ষ্য একটাই, যেনো মরার পর মানুষ আমার জন্য দু-ফোটা চোখের জল ফেলে। আমি বহুরুপী রাজনীতি করি না। দিনে এক কথা আর রাতে আরেক কথা। ধান্দা করতে রাজনীতিতে আসি নাই। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কটি প্রশস্ত করে যোগাযোগ ব্যব¯’ার উন্নতি করতে চাই। নারায়ণগঞ্জে একটি উন্নতমানের বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যাতে এখান থেকেই আগামীতে মেধাবী প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, অনেকেই পত্র-পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে লেখালেখি করে। সবাই করে না, দু-একটা পত্রিকায় লেখে। পত্রিকায় ব্ল্যাকমেলিং করে তারা জনপ্রিয় হতে চায়। এটাকে হলুদ সাংবাদিকতা বলে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কটি দখল হয়ে চিপা হয়ে যান। এসব নিয়ে কেউ কোন কথা বলে না। কথা হয় কার বউ কার সাথে চলে গেলো তা নিয়ে।’নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যত সম্পর্কে বলতে গিয়ে

বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার হত্যা প্রসঙ্গে শামীম ওসমান বলেন, ‘একটি শিক্ষার্থী খুন হয়েছে। অনেকেই এর জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করছেন। কেউ কেউ ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তা আদালত কাউকে না বলা পর্যন্ত আমি সেটা বলবো না। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, গত ৩০ বছরে তো অনেক ছাত্রই খুন হয়েছে। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে হয়েছে। নারায়ণগঞ্জেও হয়েছে, তোলারাম কলেজে। কোন হত্যার কি বিচার হয়েছে? হয়নি, কারণ তখন শেখ হাসিনার সরকার ছিলো না। অথচ আবরার হত্যার এজাহারের পূর্বেই ১০ জনকে গ্রেফতার করা হলো। শেখ হাসিনা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন, আবরার হত্যার সাথে যারাই জড়িত থাকুক, সবাইকেই শাস্তি দিতে হবে। এরপরেও এতো আন্দোলন কেন?’