কারও জবাব দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হন নাই : শামীম ওসমান

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানবলেছেন, শেখ হাসিনার কিছু হলে আমাদের দেশের আর উন্নয়ন হবে না। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা না করলে আমাদের সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া হয়ে যেত। বাংলদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উচু করে দাঁড়ানোর জন্য শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়াতে হবে।

২৭ জুলাই শনিবার দুপুরে বাঁধন কমিউনিটিসেন্টারে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরপূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সড়ানোসম্ভব হবে না। এজন্য একটি পক্ষ চাচ্ছে দেশেঅস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হোক সামনে আরওকঠিন সময় মোকাবেলা করতে হবে। আমরাই জয়ী হবো, সত্যের জয় হবে। তবে ক্ষতবিক্ষত হতে পারি।

তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জেখেলা চলছে। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ঘাঁটি । এই ঘাঁটিকে ভাঙ্গার জন্য অনেকে মিলেইখেলা খেলছেন। যেহেতু অনেকে মিলেই খেলা খেলছেন হয়তো আমাকে রাস্তায় নামতে হবে।যারা খেলছেন তাদের উদ্দেশ্য বলি, বয়স ৫৮বছর হয়ে গেছে, মানসিকভাবে এখনও ১৮ বছর রয়ে গেছে। আমরা যখন খেলতে নামবো তখন আমরা কাউকে মানবো না।প্রধামনন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াকাউকে মানি না আর মানবো না।

তিনি বলেন, আমি সাম্প্রদায়িক অসাম্প্রদায়িকহিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিষ্টান শব্দগুলোকে খুবঘৃণা করি। এসব বিষয়ে কেন কথা বলা হবে। এসব বিষয় নিয়ে তখনই কথা হয় যখন আপনিনিজেকে সংখ্যালঘু ভাববেন। এজন্য আপনি নিজেই দোষী। কেন চিন্তা করবেন আপনি সংখ্যালঘু। আমাদের প্রথম পরিচয় হচ্ছে আমরাবাঙ্গালী। আমরা ধর্মকে ভালবাসি আপনিআপনার ধর্মকে ভালবাসেন যারা পরকালবিশ্বাস করে না তারাই ধর্ম কর্ম মানে না স্রষ্টাখুশি করার জন্য ধর্মকে মানতে হবে ।


আগে এটাবিশ্বাস করতাম না ২০০১ সালের পর থেকেবিশ্বাস করি। কারণ বিএনপি জামাত আমাকেএত বেশি ভালবাসতেন, তার কারণে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল।

শামীম ওসমান আরো বলেন, ‘কোথাকার কোন প্রিয়াসাহা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নালিশ করছে।ডোনাল্ড ট্রাম্প কে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কিবাংলাদেশের কর্তা। ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রভু না, বাংলাদেশের প্রভুহচ্ছে দেশের জনগণ।

এর সেই জনগণ গার্ডেন বানিয়েছে জাতিরজনকের কন্যা শেখ হাসিনাকে। কারও জবাব দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হন নাই।সবাই যখন এটাকে সমস্যা মনে করছে, তখন আমি দেশে ছিলাম না, আমার আফসোস। ওই মহিলা নিজ থেকে বলে নাই, কেউ থেকে শিক্ষানিয়ে এসব কথা বলছেন।

বাংলাদেশে কিছু শ্রেণীআছে সুশীল শ্রেণী কুশীল শ্রেণী। আমরা কুশীল আর কেউ সুশীল। তারা নিজেদেরকে সুশীল দাবি করে বাংলাদেশে সুশীল কুশীলের খেলা চলছে। সামনে আরও খেলা আছে। ব্যক্তিগত স্বার্থেও এসব কথা বলে থাকতে পারে গোয়েন্দা সংস্থারও হাত থাকতে পারে যে গোয়েন্দা সংস্থা বিশ্বে বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ লাগিয়ে রাখে।