সিদ্ধিরগঞ্জে অনুমোদনহীন কারখানায় তৈরি হচ্ছে জুস

 

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিদি : সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে অনুমোদনহীন কারখানায় তৈরি হচ্ছে ভেজাল জুস।ক্যামিকেল ও রঙ দিয়ে তৈরি এ জুস পান করে স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছে শিশুসহ বিভিন্ন লোকজন। র‌্যাবের অভিযানে জরিমানা, বিপুল পরিমান ভেজাল জুস জব্দ ও কারখানা সীলগালা কারার পরও আলমগীর নামে এক ব্যক্তি এই কারখানা চালিয়ে যাচ্ছে।


জানা গেছে, শিমরাইলে বন্ধকৃত তাজ জুট মিলের শেষপ্রান্তে সরকারি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই সাদিয়া ফ্রুড এন্ড বেভারেজ নামক কারখানায় রোজ ফ্রুটি নামক জুস তৈরি ও বাজারজাত করছে।
জুসের ল্যাবেলে কারখানার কোন ঠিকানা না দিয়ে শুধু সিদ্ধিরগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ লেখা হয়েছে । জুস তৈরি করা হয় রাতের আঁধারে।কারখানার মেইন গেইট সারাক্ষন তালা বন্ধ করে রাখা হয় বলে স্থানীয়রা জানায়। সূত্র জানায়, বিএসটিআইর অনুমোদনহীন এ কারখানার তৈরি জুস গভীর রাতে কারখানা মালিক নিজস্ব লোকদিয়ে সরবরাহ করে।

স্থানীয়রা জানায়, গত বছরে এই করখানায় অভিযান চালিয়ে অর্থদন্ড, বিপুল পরিমান ভেজাল জুস ও কারখানা সীল গালা করে দিয়েছিল র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।এর পর কিছু দিন বন্ধ থাকার পর গত ৬ মাস ধরে আবার কারখানাটি চালু করা হয়। অভিযানের সময় কারখানা মালিক প্রয়োজনীয় কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি র‌্যাবকে।ক্যামিকেল ও রঙ দিয়ে তৈরি করা জব্দকৃত জুস র‌্যাব জনসম্মুখে ধ্বংস করে দেয়। একই জুস আবার তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছে।এবিষয়ে অভিযানের সত্যতা স্বীকার করে কারখানা মালিক আলমগীর হোসেন বলেন, আমার কাগজপত্র আছে।

অভিযানের সময় আমি কারখানায় না থাকায় কাগজপত্র দেখাতে পারিনি।তবে শত পারসেন্ট সঠিক ভাবে কোন কারখানা চালানো সম্ভব নয়। কিছু দ্রুটি থাকে। ম্যানেজ করেই কারখানা চালাতে হয়।


নারায়ণগঞ্জ জেলা ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদফতরের সহাকারী পরিচালক মো: সেলিমুজ্জামান জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares