বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২০

মর্গ্যাণ ও নবীগঞ্জ গালর্স স্কুল নিয়ে সিটি কর্পোরেশনকে অনুরোধ রাখলেন সেলিম ওসমান

 

নারায়ণগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মর্গ্যাণ গালর্স হাইস্কুল এন্ড কলেজ এবং বন্দরে নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাছে সবিনয় অনুরোধ রেখেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। সিটি কর্পোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষন করে অনুরোধ রেখে নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা চাইনা কোন কারনে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত অন্ধকারে নিমজ্জিত হোক, তেমনি আমরা এটাও চাইনা জনগনের চলাচলে যাতায়াতের রাস্তায় কোন বিঘ্ন হোক। যেহেতু সিটি কর্পোরেশন থেকে রাস্তার জন্য জায়গা নিতে চায় তাই নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেচ্ছায় অন্যত্র স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু স্কুলের জায়গাটি স্কুলের সম্পত্তি তাই সিটি কর্পোরেশনের কাছে সবিনয় নিবেদন রাখছি সিটি কর্পোরেশন যেন প্রতিষ্ঠানটি থেকে জায়গাটি কিনে নেয়।

অপরদিকে মগ্যার্ণ গালর্স হাইস্কুল এন্ড কলেজের ব্যাপারেও সিটি কর্পোরেশনের কাছে অনুরোধ রেখে তিনি বলেন, শহরের সকলেই অবগত আছেন পেছনের যে জায়গাটিতে সিটি কর্পোরেশন থেকে অট্টালিকা নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে মর্গ্যাণ গালর্স স্কুলের জায়গা ছিল। এ নিয়ে যখন স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে চেয়েছিল তখন আমি স্কুলে এসে তাদের সাথে কথা বলে বুঝিয়েছি। তাদেরকে রাস্তা না নামার অনুরোধ জানিয়েছি। তারা আমার কথা শুনেছে। আমিও তাদেরকে নতুন একটি ভবন নির্মাণে আমার যথাসাধ্য সহযোগীতা করেছি। যে ভবনটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাই বঙ্গমাতা ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিব ভবন নামে নামকরনের দাবী রেখেছে আর আজকে সেটি উদ্বোধন হয়েছে। আমি সকল কাগজপত্র ঘেটে দেখেছি স্কুলটির পক্ষ থেকে কোন মামলা মোকদ্দমা করা হয়নি। তাই আমি সিটি কর্পোরেশনের কাছে সবিনয় অনুরোধ করবো পেছনে যে বহুতল ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে সেখান থেকে যেন একটি ফ্লোর মগ্যার্ণ স্কুলের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই ফ্লোর থেকে যে আয় হবে সেই আয়ের অর্থ প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা থাকবে এবং সেটি দিয়ে প্রতিষ্ঠানের মেধাবী, দরিদ্র, অসহায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহযোগীতা করা হবে। কেউ যদি বিদেশে লেখাপড়া করার সুযোগ পায় প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানটি ওই অর্থ থেকে তাকে সহযোগীতা করবে।

আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের  বিভিন্ন স্থানে সরকারী সম্পত্তি মাত্র ১ টাকা মূল্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন সাধারণ জনগনের কল্যাণে ব্যবহার করার জন্য। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মালিক নারায়ণগঞ্জের জনগন। আর মর্গ্যাণ স্কুলে নারায়ণগঞ্জবাসীর সন্তানেরাই লেখাপড়া করে। নারায়ণগঞ্জের জনগনের পক্ষ থেকে আমি সিটি কর্পোরেশনকে এ অনুরোধ করছি। শনিবার ২০এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টায় বন্দর ও শহরের মোট ৭টি স্কুলের উন্নয়নে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪ কোটি ১০লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেন এমপি সেলিম ওসমান।  যার মধ্যে সকালে নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিকেলে মর্গ্যাণ গালর্স হাইস্কুল এন্ড কলেজ তার ব্যক্তিগত অর্থায়নে নবনির্মিত বঙ্গমাতা ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিব ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মালিক জনগন। জনগন ভোটের মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে সেখানে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত করেছেন। কোন নির্বাচিত সরকার যেমন একটি দেশে মার্শাল ল জারি করতে পারে না তেমনি সিটি কর্পোরেশন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে এমনটি করতে পারেন না। এদিকে নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অন্যত্র স্থানান্তর করতে বাগবাড়ি এলাকায় ৪৫ শতাংশ একটি জমি ক্রয় করার জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার চেক স্কুল পরিচালনা কমিটির হাতে তুলে দিয়েছেন সেলিম ওসমান ও তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান। ওই জমিতে ১০তলা ফাউন্ডেশনে একটি ৮তলা বহুতল একাডেমী ভবন নির্মাণের জন্য আরো ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সেই সাথে আগামীকাল থেকে নতুন জমিতে কাজ শুরু করতে সকলের প্রতি অনুরোধ রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে সহযোগীতা করার আহবান রেখেছেন। যাতে করে আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি নতুন জায়গায় স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।

অপরদিকে মর্গ্যাণ গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের উদ্বোধন হওয়া নবনির্মিত বঙ্গমাতা ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিবটি উর্ধমূখী সম্প্রসারন করে ৬তলায় রূপান্তরিত করতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রথম ধাপে আরো ৭৫লাখ টাকার চেক স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং স্কুল শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে আরো ৭৫ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগীতা করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। সেই সাথে স্কুলের উত্তরপাশের জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে নতুন আরেকটি ভবন নির্মাণের কথা উল্লেখ করে ভবনটি দ্রুত ভাঙ্গার অনুমোদন পেতে জেলা প্রশাসকের সহযোগীতা কামনা করেছেন তিনি। পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞা সর্বাত্মক সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।

নিজের রাজনৈতিক গুরু মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং পিতার সহকর্মী বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.এ রশিদ এর প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক গুরু আনোয়ার ভাই মর্গ্যাণ স্কুলের দায়িত্বে ছিল বলেই মাত্র ১ বছরের মধ্যে স্কুলটিতে এতো উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। যা আজকে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখ থেকেই শোনা যাচ্ছে। আশা করছি ভবিষ্যতে আরো অনেক বেশি উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। অপরদিকে বন্দরে আমার বাবার সহকর্মী রশিদ ভাই ছিল বলেই বন্দরে প্রত্যন্ত এলাকা গুলো নতুন নতুন স্কুল নির্মাণ সহ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এতো উন্নয়ণ করা সম্ভব হয়েছে। রশিদ ভাই বন্দরে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি তিনটি দলের মানুষকে একত্রিত করে রেখে আমাকে উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছেন। যদি রশিদ ভাই আমার সাথে রাগ না করেন তাহলে ভবিষ্যতে এ উন্নয়নের ধারা আরো অনেক বেশি তরানিত্ব হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এমপি সেলিম ওসমান বলেন, তোমাদেরকে আমরা অনেক কিছু দিতে চাই। বিনিময়ে আমাদেরও তোমাদের কাছে কিছু চাওয়ার আছে। আমি তোমাদের কাছে শুধু জিপিএ-৫ চাই না। আমি চাই মেধার বিকাশ, আমি চাই তোমরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হও। তোমরা লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলা, সংস্কৃতি চর্চায় নিজেদের মেধার বিকাশ ঘটাবে। নিজেকে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলবে। যেদিন থেকে তোমরা নিজেদের আত্মনির্ভরশীল বলে মনে করতে পারবে সেদিন থেকেই তোমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার সোনার সন্তান হয়ে উঠবে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এমপি সেলিম ওসমানের সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, তোমরা মাঝে আসতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত মনে করছি। আমরা তোমাদের পাশে আছি। তোমাদের যা কিছু প্রয়োজন তোমাদের সকলের প্রিয় সেলিম ওসমান এবং আমি তোমাদের পাশে থাকবো। তোমরা ভাল মত পড়ালেখা করবে। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানবে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে তোমরাই এগিয়ে যাবে।

জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞা মর্গ্যাণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আমি তোমাদের মাঝে যখন আসি তখন আমার কাছে মনে হয় আমি যেন তোমাদের থেকে মাত্র  ২ থেকে ৩ বছরের বড়। তোমরা নিজেরা নিজেদের মনের কথাটুকু শুনবে। স্বপ্ন দেখলে বড় করে স্বপ্ন দেখবে তাহলে দেখবে জীবনকে অনেক বড় করে তুলতে পারবে। আর শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে পড়ালেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে মূল্যবোধ সৃষ্টি করার জন্য অনুরোধ রেখেছেন তিনি।

বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম.এ রশিদ বলেন, আমাদের এমপি সেলিম ওসমান আমাদের সকলের সন্তানদের ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি সকল দলের মানুষদের নিয়ে উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছেন। উনি নিজের পকেটের টাকা দিয়ে বন্দরে যেভাবে স্কুল প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন করে যাচ্ছেন সেটা সারা বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। কোন সংসদ সদস্য নিজের পকেটের টাকা দিয়ে এভাবে সাধারণ জনগনের পাশে দাড়ায় সেটা সেলিম ওসমান ছাড়াও অন্য কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই। আপনারা সবাই উনার এবং উনার সহধর্মিনীর জন্য দোয়া করবেন। উনারা যেন সুস্থ্য থাকেন এবং দীর্ঘজীবী হয়।

আগামী মঙ্গলবার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিটি স্কুলের অনুষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এমপি সেলিম ওসমান নিজের এবং সহধর্মিনীর মিসেস নাসরিন ওসমানের সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

অনুষ্ঠান গুলোতে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ সালাম, গোগনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নওশেদ আলী, মর্গ্যাণ গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য আহসান উল্লাহ, বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য আব্দুস সালাম খোকন, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাপ হোসেন, বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন, গোগনগর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মোক্তার হোসেন সুকুম, সহ প্রতিটি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দরা।

উল্লেখ্য, বন্দরে নবীগঞ্জ এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা তৈরি করার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদজ্জনক অবস্থায় থাকা নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অন্যত্র নির্মানের লক্ষ্যে জমি কেনা বাবদ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, মর্গ্যাণ গালর্স স্কুল এন্ড কলেজে আরো একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবনটির ৪র্থ তলা নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ২৫ লাখ টাকা, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থতলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ২৫ লাখ টাকা, দেওভোগে বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ঘোষণা অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে ২৫লাখ টাকা, এবং সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য দ্বিতীয় ধাপে ২৫ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ধামগড় এলাকায় অসহায় দরিদ্র তৈয়ব আলীকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও স্কুলের ১০জন শিক্ষার্থীকে ১০টি ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে। সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান এসব অনুদানের চেক সকলের হাতে তুলে দেন।

ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ কোটি ১০লাখ টাকার আর্থিক অনুদান সেলিম ওসমানের

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান শহর ও বন্দরের মোট ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪ কোটি ১০লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেছেন। শনিবার ২০এপ্রিল সকল ১০টা থেকে বিকেল ৪টায় বন্দর ও শহরের ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে চেক গুলো হস্তান্তর করেছেন।  এছাড়াও তাঁর ব্যক্তিগত অনুদানে মর্গ্যাণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত বঙ্গমাতা ফজিলেতুন্নেছা মুজিব নামে নতুন ভবনটির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

যার মধ্যে বন্দরে নবীগঞ্জ এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা তৈরি করার কারনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদজ্জনক অবস্থায় থাকা নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অন্যত্র নির্মানের লক্ষ্যে জমি কেনা বাবদ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, মর্গ্যাণ গালর্স স্কুল এন্ড কলেজে আরো একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবনটির ৪র্থ তলা নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ২৫ লাখ টাকা, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থতলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ২৫ লাখ টাকা, দেওভোগে বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ঘোষণা অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে ২৫লাখ টাকা, এবং সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য দ্বিতীয় ধাপে ২৫ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ধামগড় এলাকায় অসহায় দরিদ্র তৈয়ব আলীকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও স্কুলের ১০জন শিক্ষার্থীকে ১০টি ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে। সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান এসব অনুদানের চেক সকলের হাতে তুলে দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এমপি সেলিম ওসামনের সহ ধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান, জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞা, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন,  জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ সালাম সহ প্রতিটি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দরা।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে উপনির্বচনে এ.কে.এম সেলিম ওসমান বিজয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জের দায়িত্ব  গ্রহনের পর তাঁর নির্বাচনী এলাকার আওতাধীন ৭টি ইউনিয়নে সম্পূর্ন ব্যক্তিগত খরচে ৭টি আধুনিক স্কুল নির্মাণের ঘোষণা দেন।

ঘোষণা মোতাবেক তিনি আলীরটেক ইউনিয়নে কুড়েরপাড় শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, গোগনগর ইউনিয়নে এলাকায় বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়, মদনপুর ইউনিয়নে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়, মুছাপুর ইউনিয়নে শামসুজ্জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন, বন্দর ইউনিয়নে নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুল, এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়নে আলহাজ্ব খোরশেদুনেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নামে মোট ২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি স্কুল নির্মাণ করেন। প্রতিটি স্কুলেই রয়েছে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, সিসি টিভি ক্যামেরা, সাইন্সল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী সহ শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার জন্য আধুনিক টোল টেবিলের ব্যবস্থা।

নির্মিত স্কুল গুলোর মধ্যে নিজ উদ্যোগে শামসুজ্জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্পূর্ন বিনা খরচ, এবং নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ভর্তি ফি নিয়ে সম্পূর্ন বিনা বেতনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটিতে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এই জনপ্রিয় এই সাংসদ। এছাড়াও নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুলে অধ্যয়নরত মোট ১০০জন মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে তাদের অভিভাবকদের একটি করে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কদম রসুল ডিগ্রি কলেজকে সরকারীকরণ করা হয়েছে এবং কলেজের অভ্যন্তরে নতুন আরো একটি ৪ তলা ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ কলেজের পরিচালনা কমিটিতে সভাপতি পদে দায়িত্ব গ্রহনের পর প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে ১০তলা ফাউন্ডেশনে প্রতি তলায় ৮হাজার ৪’শ স্কয়ার ফিটের ৭তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার নির্মাণ ব্যয় এখন পর্যন্ত কলেজের তহবিল থেকে আনুমানিক ১০ কোটি ৫০লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। যেখানে তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক টোল টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ী সংগঠন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বিকেএমইএ এর সহযোগীতা দুটি লিফটের ব্যবস্থা করা হবে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রেক্ষিতে নবনির্মিত ওই ভবনটি শেখ কামাল ভবন নামে নামকরনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যে কোন সময় ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

এছাড়াও মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৩কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গমাতা আলহাজ্ব ফজিলেতুনেচ্ছা মুজিব নামে নতুন বহুতল ভবন এবং সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারী ভাবে গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ, মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়, শিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষনখোলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মদনপুর রিয়াজুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মুসাপুর দারুচ্ছুনাহ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নুরুল আলানুর এছহাকিয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার জন্য নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারী ভাবে মোট ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরপত্র আহবান করা হয়েছে, ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরপত্র আহবান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে, ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

অপরদিকে জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, মীরকুন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়, বিএম ইউনিয়ন হাইস্কুল এন্ড কলেজে নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণ সহ আরো ১০টি স্কুলের উর্ধমূখী সম্প্রসারনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা পত্র প্রেরন করা হয়েছে।

বার একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়, বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়,সহ প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত ভাবে অর্থায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান গুলোর অবকাঠামো ও শিক্ষার মান্নোয়নে কাজ করে চলেছেন। দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদ পর্যন্ত বিগত সাড়ে ৪ বছরে তিনি প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রন গ্রহন করে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। আমন্ত্রিত অতিথি  হয়ে তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই গেছেন সেখানেই তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মঞ্চে ডেকে তাদের বক্তব্য শুনেছেন। তাদের সুবিধা, সমস্যা এবং চাহিদার কথা শুনেছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করে জানতে চান। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তাঁর প্রশ্নে স্কুলের শিক্ষকরাও ভুল উত্তর দিয়েছেন। এতে করে দেশের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অজানার বিষয়টি তাঁর কাছে স্পষ্ট হওয়ায় তিনি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর জীবনী, জঙ্গীবাদ বিরোধী সচেতনা বৃদ্ধি সহ নানা বিষয়ের উপর রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও বির্তক প্রতিযোগীতার আয়োজন করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে ১ম, ২য়, ও ৩য় হওয়া প্রতিযোগীদের যথাক্রমে ১০, ৫ ও ৩ লাখ টাকা করে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন।

একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে তিনি বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা পুথিগত বিদ্যায় বন্দী হয়ে থাকার বিষয়টি উপলদ্ধী করেন। ফলে তিনি শিক্ষার্থীদের পুথিঁগত শিক্ষার শেকল ছিড়ে বের করে আনতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা সফরে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানাতে থাকেন। সেই লক্ষ্যে তিনি নিজ এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সহযোগীতায় ২টি বাস ক্রয় করে ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বন্দর সমরক্ষেত্র মাঠে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমান মিয়ার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জনাব খালেদ হায়দার খান কাজল এর কাছে হস্তান্তর করেন। পাশাপাশি শিক্ষা

সফরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রদান করা বাস দুটির রক্ষনাবেক্ষন এবং যাতায়াত ব্যয় বহনের জন্য সংসদ সদস্য হিসেবে ২৬ মাসে সরকার থেকে তাঁর প্রাপ্ত ২৬ লাখ টাকার একটি চেক নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান এবং তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান  নারায়ণগঞ্জ কলেজ ও সরকারী মহিলা কলেজের জন্য পৃথক দুটি বাস প্রদান করেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফরের যাওয়ার জন্য তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাস দুটি প্রদান করলেও শুরুর দেড় বছর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষার্থীদের সফরে নিয়ে যাওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির এর কাছে কোন আবেদন জমা পড়েনি। এতে অনেকটাই হতাশ হয়ে ছিলেন ভবিষ্যত প্রজন্ম নিয়ে চিন্তা করা এই সাংসদ। ফলে তিনি নিজেই উদ্যোগী হোন এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে শিক্ষা সফরের যাত্রা শুরু করেন। যার ধরুন এগিয়ে আসে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোও। ইতোমধ্যে একে একে বন্দরের নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়,  শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুল, আমলাপড়া আদর্শ শিশু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিদ্যানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, চাষাঢ়া শিশু কল্যান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসিনা অটিজম স্কুল, ৩৩নং সিটি কলনো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফর করেছেন। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা পাঠ্য পুস্তকের বাইরে শিক্ষা সফরের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের মধ্য দিয়েই পুথিগত বিদ্যার গন্ডি পেরিয়ে ভবিষ্যতে এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারবে বলে মনে করেন এই সাংসদ।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares
error: Alert: Content is protected !!