এ.কে.এম শামীম ওসমানের নিকট প্রতারক রমজান আলীর বিচারের দাবিতে কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর নেতৃত্বে বিচার চাইলেন অসহায় ৩৫০০ গ্রাহক

 

নারায়ণগঞ্জ কথা : প্রতারক রমজানের থেকে ধোকা খেয়ে অসহায় মানুষেরা ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ হাজার লোক নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে আওয়ামী লীগ কর্মী সভায় এসে নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য  এ কে এম শামীম ওসমানের কাছে অভিযোগ জানায়।

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে আওয়ামী লীগ কর্মী সভায় এ বিচারের দাবি করেন অসহায় ৩৫০০ গ্রাহক।

এ সময় এ কে এম শামীম ওসমান বলেন, এ বিষয়ে আপনাদের এলাকার কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু আমাকে আরো কয়েকবার জানিয়েছেন আমি যতটুক জানি এই মামলাটা এর আগে ফতুল্লা থানা হয়েছিল যা এখন বর্তমানে সদর থানায় হবে আপনারা যতজন সদস্য আছেন সবাই একটি করে মামলা করবেন এবং এখানে সদর থানার ওসি আছেন তিনি এ মামলা নিবেন আপনারা এখানে যারা আছেন সবাই জানেন করোণা পরিস্থিতিতে মানুষকে দেখিয়েছে পুলিশ মানুষের আপন । যদি পুলিশ আইনের ধারা ও আপনাদের টাকা না দেয় তবে। আমি এখনো ওকে চিনি না কিন্তু ও যেই হোক এই অসহায় গরিবদের টাকা ওকে ফিরিয়ে দিতে হবে প্রয়োজন হলে আমি ওকে নিয়ে আসব। ও যেখানেই পালাক কোন জায়গায় পালিয়ে থাকতে পারবে না।

এ বিষয়ে আব্দুল করিম বাবু বলেন, অন্যায় কে কখনো আমি প্রশ্রয় দেইনি আর কখনো দিবোনা। সে যেই হোক এই অসহায় গরীব মানুষের হক তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। মানুষ মানুষের জন্য মানুষের শেষ পুঞ্জি নিয়ে যারা খেলা করে তারা মানুষের কাতারে পড়ে না। আমি শুধু একটা কথা বলতে চাই, আমার এলাকার ভোটার নয় শুধু এরা হলো অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ। যারা একবেলা না খেয়ে খাবারের টাকা বাঁচিয়ে  খুব কষ্ট করে আয় করা টাকা আপনার কাছে রেখে ছিলেন আর আপনি আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেলেন কিন্তু  প্রতারক রমজান যেখানেই থাকেন। আপনার বিচার হবে‌। আর আপনি প্রতিটা গ্রাহকের টাকা ও ফিরিয়ে দিবেন।আপনি কোনো ভাবেই টাকা না দিয়ে পার পাবেন না।

উল্লেখিত যে, সম্মিলিত সঞ্চয় তহবিলের প্রতিষ্ঠাতা, মালিক ও কুটি গেদার ছেলে ১নং বাবুরাইল বৌ-বাজারের কুখ্যাত প্রতারক রমজান আলী অসহায়, ভিক্ষুক, খেটে খাওয়া গরীব, দিন মজুরের প্রায় (পনের কোটি)  টাকা আত্মস্বাতের প্রচেষ্টায় পালিয়ে যায়।

 

নারায়ণগঞ্জ কথা এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

Shares